বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।
আপনি ইমামের পিছে আপনার মতো করে নামায পড়বেন। যেভাবে আহলে হাদিস সালাফী ভাইয়েরা হানাফীদের পিছে নিজেদের মতো নামায পড়েন।
আসরের নামায তাদের সাথে পড়বেননা। আমাদের হিসেবে ওয়াক্ত আরো পরে হয়। তাই হানাফীদের হিসাব অনুযায়ী ওয়াক্ত হওয়ার পরে আসর পড়ে নিবেন।
একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা: মসজিদ বিতর্ক ও দ্বন্দের জায়গা না বরং রবের সামনে মাথা নত করার জায়গা নিজের বড়ত্ব শ্রেষ্ঠত্বের অনুভূতি বিসর্জন দিয়ে তুচ্ছতা ও গোলামিকে অনুভবের জায়গা। তাই কখনোই কোন অবস্থাতে মসজিদে গিয়ে আহলে হাদিস ভাইদের কারো সাথে বিতর্ক ও দ্বন্দে জড়াবেনা। কোন অবুঝ ভাই অযথা তর্ক করতে চাইলেও এড়িয়ে যাবেন। তারা কেউ হানাফী মসজিদে এসে নামায পড়া ছাড়াও অযথা দ্বন্দ্ব করা বা হানাফী কেউ তাদের মসজিদে গিয়ে অযথা দ্বন্দ্বে জড়ানো দুটোই অযৌক্তিক ও দুঃখজনক কাজ। আমাদের কোন ভাই এমন কাজে না জড়াক সেই দোয়া করি।
মনে রাখবেন, মুসলমান ভাই হিসেবে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে হবে। জান্নাতে কোন হানাফী আহলে হাদিস ভাগ থাকবেনা। তাই এসব আপেক্ষিক ফিকহি ইখতিলাফ যেন উম্মাহর মনস্তাত্ত্বিক ঐক্য ও ইসলামী ভ্রাতৃত্বকে হুমকিতে না ফেলে সে ব্যাপারে সবারই সচেতন হওয়া উচিত।
